1. [email protected] : amardesh :
  2. [email protected] : Smak Pervez : Smak Pervez
  3. [email protected] : sumarubelp :
এসএসসি পরীক্ষার্থী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার, দুই ধর্ষক গ্রেফতার - আমার দেশ প্রতিদিন
September 26, 2022, 9:43 am
ব্রেকিং নিউজ:
সাতবাড়ীয়া বাস স্ট্যান্ডের যাত্রী ছাউনি দখল করে চলছে জমজমাট ব্যবসা মানিকগঞ্জে ০৫ জন মাদক কারবারী গ্রেফতার ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিত করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ কালাই প্রিমিয়াম লীগ ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত বিশ্ব-দরবারে মাথা উচু করে দাঁড়ানোর নাম শেখ হাসিনা – সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহম্মেদ সুজানগরে পুলিশের পোশাক পড়ার অপরাধে এক ব্যক্তি গ্রেফতার বটিয়াঘাটায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী’র বাগেরহাটের মোড়োলগঞ্জ, খুলনা সদর ও দাকোপ উপজেলায় নব—নির্মিত মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন উদ্বোধন নকলা থানা পুলিশ কর্তৃক ২০০ গ্রাম গাঁজা সহ ১ জন গ্রেফতার বটিয়াঘাটায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্তী মুক্তিযোদ্ধাদের জন‍্য উপজেলা পর্যায় নিজস্ব ভবন করে দিয়েছে সরকার খুলনার পাইকগাছায় বাল্য বিবাহ প্রস্তুতিকালে বর সহ আটক-৭

এসএসসি পরীক্ষার্থী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার, দুই ধর্ষক গ্রেফতার

Reporter Name
  • Update Time : Wednesday, September 14, 2022,
  • 21 Time View

এস,আর শরিফুল ইসলাম রতন, লালমনিরহাট।

লালমনিরহাটে এক এসএসসি পরীক্ষার্থী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার দিবাগত রাতে বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে দুই ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে লালমনিরহাট সদর থানা পুলিশ।

ধর্ষিতা শিক্ষার্থীকে সংগে নিয়ে রাতভর অভিযান চালিয়ে দুই ধর্ষককে গ্রেফতার ও বাড়িটি চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন লালমনিরহাট সদর থানার ওসি এরশাদুল আলম।

গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলেন লালমনিরহাট সদর উপজেলার পৌরশহরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের স্টেডিয়ামপাড়া(দালালটারী) এলাকার মকবুল হোসেনের ছেলে সামসুল হোসেন বাবলু(৪২) ও একই এলাকার আবুল হোসেন সরকারের ছেলে তসলিম উদ্দিন সরকার(৪০)।

ওই এসএসসি পরীক্ষার্থী(২০) হাতীবান্ধা উপজেলার শাহ গরীবুল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে আসন্ন এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেবেন বলে প্রবেশপত্র দেখিয়ে একথা জানিয়েছেন তার মা রশিদা বেগম।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, হাতীবান্ধা উপজেলার সিন্দুর্ণা ইউনিয়নের জয়নুল হোসেন পরিবারের সদস্যদের ঠিকমত ভরনপোষন দিতে পারেন না। ফলে রশিদা বেগম সন্তানদের নিয়ে ভাইয়ের বাড়ীতে বসবাস করেন। তিনি স্থানীয় এক ব্যক্তির বাড়ীতে কাজ করে সংসার চালান। এই অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে ওই পরীক্ষার্থীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন প্রতিবেশি ভগ্নিপতি হাফিজুল ইসলাম। প্রেমের এক মাস যেতে না যেতেই তাকে কেনাকাটা করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে লালমনিরহাটে নিয়ে যান গত ১ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার। লালমনিরহাটে নিয়ে আসার পর তাকে নারী পাচারকারী চক্রের সদস্য চেয়ার কোচ নাবিল কাউন্টারের ম্যানেজার বাবলুর হাতে তাকে তুলে দেন। বাবলু স্টেডিয়ামপাড়ায় তার ভাই নুরুজ্জামানের বাসায় নিয়ে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে চেতনাশক ঔষধ খাইয়ে তাকে নাবিল গাড়ীতে ঢাকায় পাঠান।

ওই শিক্ষার্থী রোমহর্ষক ঘটনার বর্ণনা দিয়ে অভিযোগ করে বলেন, ‘গত এক মাস আগে হাতীবান্ধার সিন্দুর্ণা ইউনিয়নের প্রতিবেশী বোনের স্বামী হাফিজুল ইসলাম আমার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। গত ১ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার মোবাইল ও কিছু কেনাকাটা করে দেওয়ার জন্য ট্রেনে করে লালমনিরহাট নিয়ে যায়। পাশে থেকে আসার কথা বলে আমাকে সেনামৈত্রী মার্কেটে ঢাকা বাস স্ট্যানে নাবিল পরিবহনের কাউন্টার ম্যানেজার বাবলুর নিকট বসিয়ে রাখে। হাফিজুল আমাকে ডাকছে এই কথা বলে সন্ধ্যায় আমাকে একটি রিক্সায় তুলে নেয় বাবলু। পরে স্টেডিয়ামাপাড়ার একটি লোকজনহীন বাসায় আটকে রাখে। পরে তসলিম নামে আরও একজনকে নিয়ে আসে। আগে বাবলু ও পরে তসলিম আমার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে। পরে চা খাওয়ায়। এরপর আর কিছু বলতে পারি না। পরে দেখি আমি ঢাকায়।’

ওই শিক্ষার্থীর মা রশিদা বেগম জানান, ‘সন্তানদের নিয়ে ভাইয়ের বাড়ীতে থেকে স্থানীয় এক ব্যক্তির বাসায় কাজ করে সংসার চালান। বৃহস্পতিবার(১ সেপ্টেম্বর) এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র তোলার জন্য আমার মেয়ে স্কুলে যায়। প্রতিবেশি জামাই হাফিজুল ইসলাম তাকে কেনাকাটা করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে লালমনিরহাটে নিয়ে যায়। সেখানে নারী পাচারকারী চক্রের লোকজনের কাছে আমার মেয়েকে তুলে দিয়ে তিনি সটকে পড়েন। ওইদিন সন্ধ্যায় আমার মেয়েকে ধর্ষণ করে চায়ের সঙ্গে চেতনানাশক ঔষুধ খাইয়ে তাকে নাবিল গাড়ীতে ঢাকায় পাচার করে। পরে আমাদের সিন্দুর্ণা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল আমিন আমার মেয়েকে উদ্ধার করে। আমি ধর্ষকদের ফাঁসি চাই।’

অভিযানে অংশ নেওয়া লালমনিরহাট সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মোজাম্মেল হক বলেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দুই আসামী মেয়েটি ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। তাকে ফরিদপুরের এক নারী পাচারকারী সদস্যের নিকট নাবিল গাড়ীতে ঢাকায় পাঠানোর কথাও স্বীকার করেছে। ওই ব্যক্তি তাকে ঢাকার গাবতলীতে নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আগেই পরিবারের সদস্যরা খবর পেয়ে তাকে ঢাকায় উদ্ধার করে। পরে তার অসুস্থ্য অবস্থা দেখে মেডিসিন ও নিউরোলজী চিকিৎসককে দেখান। পরে ১৪ সেপ্টেম্বর আমাদের নিকট লিখিত অভিযোগ দিলে আমরা প্রয়োজনীয় তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেয়ে রাতেই এজাহার হিসেবে গ্রহণ করে আসামীদের গ্রেফতার করি।’

লালমনিরহাট সদর থানার ওসি এরশাদুল আলম বলেন, ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার মেয়েটি ধর্ষকদের চিহ্নিত ও ঘটনাস্থল নিশ্চিত হওয়ার পর ১৪ সেপ্টেম্বর রাতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ওই মামলায় দুই ধর্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এটি একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা হিসেবেই আমরা তদন্ত করছি। প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে, মেয়েটিকে পাচার করার উদ্দেশ্যে একটি চক্র সক্রিয় ছিল। আমরা অন্য আসামীদেরও আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করছি। ধৃত আসামীদের বিকালে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
Copyright © All Right Reserved 2020 আমার দেশ প্রতিদিন
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )