1. [email protected] : amardesh :
  2. [email protected] : Smak Pervez : Smak Pervez
  3. [email protected] : sumarubelp :
একটা রাজ্য বেহাল অবস্থা, ওই রাজ্যের একটা প্রজার অসম্ভব মন্তব্য - জাফর ইকবাল - আমার দেশ প্রতিদিন
August 17, 2022, 4:51 am
ব্রেকিং নিউজ:
জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিকে গণবিরোধী ও স্বৈরাচারি সরকারের একতরফা সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে- বগুড়ায় বাম গণতান্ত্রিক জোটের ডিসি অফিসে অবস্থান-সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত পাইকগাছার মাল্টা খুলনা পেরিয়ে যাচ্ছে ঢাকায় নরসিংদীর পলাশে সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ ও শিক্ষা সপ্তাহের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত যশোরে ছাত্রাবাসের জানালা ভেঙে কলেজ ছাত্রের লাশ উদ্ধার সুজানগরে খালেদা জিয়া’র জন্মবার্ষিকীতে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ১৫ আগষ্ট উপলক্ষে লালমনিরহাটে পবিত্র কোরআন মাজিদ বিতরন বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি ও আলোচনা সভা অনুষ্টিত ডুমুরিয়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহদাত বার্ষিকী পালিত লালমনিরহাটে সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদে বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বাস নিয়ন্তন হারিয়ে খাদে আহত ১৭ বাংলাদেশ প্রেসক্লাব গাবতলী উপজেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

একটা রাজ্য বেহাল অবস্থা, ওই রাজ্যের একটা প্রজার অসম্ভব মন্তব্য — জাফর ইকবাল

Reporter Name
  • Update Time : Thursday, June 30, 2022,
  • 17 Time View

একটা রাজ্য বেহাল অবস্থা, ওই রাজ্যের একটা প্রজার অসম্ভব মন্তব্য। গল্প টা অসম্ভব নয়, তবে অসম্ভব এর চেয়ে কম ও নয়।
——————————————————————————
রাজ্য টা অনেক ছোট, সেখানে পীর আউলিয়া সংখ্যা কম নয়।

ওই রাজ্য জয়ের জন্য, কিছু রঙের মেলা বসানো হয়, পাশা-পাশি কবিতার খেলা ও বসানো হয়, কালো কালি দিয়ে মেলা টি”কে আর্ট করা হয়। চিহ্ন করা হয় মেলার পরিচালনা কারীকে।

গল্প লিখতে ও করে ভয়, কে জানি কখন বলে ফেলে, জাফর আমাকে ইঙ্গিত করে গল্প লিখেছে। ঠিক নাই গল্পের আগা মাতা। ভীষণ ভয় করে বর্তমান সমাজে আমার।

যখন ওই মেলার পরিচালনা কারীকে কেউ বলে ফেলে, মেলার পরিচালনাকারী এখানে কি করছে, মেলার নামে কি কালো পোশাকে লাল টাকার পাহাড় তৈরী করছে।

আমি প্রথমে ওই রাজ্যের রাজার নিবেদিত কিছু কথা লেখে যাচ্ছি।

রাজ্য টা বেশ সুন্দর, রাজ্যে জাগরিত হয়ে ফুটেছে নানান রঙের ফুল।

সুগন্ধিত ফুলের ঘ্রাণের জন্য, রাজ্যের রাজার অনুমতি চাড়াই আমি ডকে পড়লাম ওই রাজ্য।

সাথে চিলেন আমার, দুই মন্ত্রী ওই রাজ্যের।
ঢুকলাম রাজ্যে আমি।

ঢুকার পর রাজা আমাকে বলছেন, জাফর তুমি আমার রাজ্য সুঘ্রাণ পেতে আসছ.?

আমি বললাম জ্বি না ভাইয়া, আমি কেনো আপনার রাজ্য সুঘ্রাণ নেওয়ার জন্য আসবো।

আমি আসলাম আপনার কাছে এইজন্য, যে আপনি নাকি বিদ্যাপাঠ ভালোই জানেন।

তাই আমি আসলাম আপনার কাছে কিছু বিদ্যাপাঠ শিখার জন্য।

যদি মায়া মোহাব্বত থাকে তাহলে আমাকে একটু বিদ্যাপাঠ শিখান।

ছোট রাজ্যের রাজা আমাকে বলেন, তুমি আমার স্নেহময়, রাজায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে রাগ করেন স্নেহময় প্রজার কাছেই।

তখন রাজার কথার ব্যাখ্যা দিলাম আমি, ভাই যা হওয়ার তা হয়েয় গেলো, আপনি বিদ্যাপাঠ শিখাবেন না.? তখন রাজ্যের রাজা আমাদের জন্য চায়ের ব্যবস্থা করলেন। চা খাইলাম।

চা খাওয়ার পর তিনি বলেন আমাকে, জাফর বিদ্যাপাঠ তুমি বুঝতে হলে, প্রতিটা সেকেন্ডে সেকেন্ডে তুমি ধাক্কা খেতে হবে, চিনতে আপন কে, চিনতে হবে পর কে।

তুমি চোখ দিয়ে জীবন টা কে যত ছোট মন করছো, আসলে জীবন টা তথ ছোট নয়।

ন্যায়ের পরাজয় ঘটিয়ে অন্যায়ের পাহাড় হবে, ঠিক তখনি তুমি আপন যাদের কে ভাববে, তাঁরাই তোমাকে একেক ঘাই দিবে আর সহ্য করতে হবে তোমাকে।

তবে ভুলেও আঘাতের উল্টোটা করিও না, যদি করে ফেল, তাহলে সংশোধনের জন্য, নিজে’কে গড়তে শিখো।

কাউকে এতোটা সস্তা ভাবিও না জাফর, কেউ যদি তোমাকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করে থাকে, তাহলে তুমি আমাকে বলতে পারো, আমি তার অভিভাবকদের জিজ্ঞাসা করি, নোটিশ বাক্সে তৈরী করে দেই।

কিন্তু ওরা তোমার আপন মানুষ গুলাই, ওরা তোমার রাজ্য চিনার আগ্রহী নয়, ওরা অন্য রাজ্যের ভিকারি।
তোমার শোভনীয় কি জাফর.?

আমার কাজ হচ্ছে এদের কে এড়িয়ে যাওয়া, এদের কোনো বিষয় হলে, না জানার চেষ্টা করা, এদের কাছ থেকে অনেক দূরে চলে যাওয়া।

রাজ্যের রাজা বলেন আমাকে, এটি তোমার শোভনীয় নয়, তোমার কাজ হলো তাদের”কে নিয়েয় চলা ফেরা করা। তাদের”কে তোমার সম্পর্কে ধারণা টা না দেওয়া। নিজের প্রতি ভরসা রেখে নিজেকে জানা।

কেউ যদি বলে তোমার ব্র্যাকাপ কি, তখন নিরবতা পালনা করা, কেউ যদি নিজেকে মহা পন্ডিত ভাবে, তাহলে তুমি তাদের কে এড়িয়ে চল।

রাজ্যের রাজার পরামর্শ অনুযায়ী, মন্ত্রী দিলে টেক্স।
মন্ত্রী বলেন, আমার নগরে মন্ত্রী আমি, জাফর তুমি চাইলে আমার কাছ থাকিও কিছু বিদ্যাপাঠ নিতে পারো..??

আমি মন্ত্রী”কে বললাম, বিদ্যাপাঠ শিখার তো কোনো শেষ নেই। শিখান আপনার বিদ্যাপাঠ টি।

মন্ত্রী বলেন, আমার কাছে যে বিদ্যাপাঠ আছে, সেগুলা কিন্তু বইয়ের কোনো পৃষ্ঠা বা কোনো অধ্যায়ে নেই, শিখতে চাও জাফর..???

আমি বললাম শিখান মন্ত্রী সাহেব, আমি তো ঘুরতে আসলাম, আপনার মাজারে শিখার জন্যৈই।

সমাজ থেকে তুমি যা কিছু শিখবে, সেগুলোর উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে, নিজে”কে প্রথমে চিনতে হবে।

কখনো কোনো অন্যের কথা শুনে, কাউকে অবমাননা এবং অবহেলা করতে পারবে না, নিজের চোখ কে বিশ্বাস করতে পারবে না, কারণ চোখ দিয়ে তুমি দেখেছো অন্য কেউ দেখেনি, ফলে যে বিষয় ও নিজের উপর পরে যাবে।

গল্পে নারী নিয়ে ও কিছু কথা বলছেন দ্বিতীয় মন্ত্রী।
মন্ত্রী বলছে জাফর, তুমি যা ইচ্ছে তা করো, তবে বিবাহে আবদ্ধ হওয়ার আগে, কোনো নারী ধুঁকায় পরিও না।

কারণ নারী মুখের বাণী হলো, গোলাপ এর ঘ্রাণের চেয়েও আরও সুগন্ধিত, এদের কথায় মিষ্টি রয়েছে।

মিষ্টি কথায় ভরপুরে পাঠিয়ে দিবে তোমাকে। তবে চোখের পঙ্কে গাঁজাখোর বানিয়ে ফেলবে এই সমাজে তোমাকে।

রাজ্যের রাজা”র এবং দুই মন্ত্রী কথা গুলো শুনে,
গল্প লিখার এবং শিখা”র ইচ্ছা হচ্ছে।
আমার অনুভূতিটা, নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলতে সবসময় সাহায্য করবেন আপানারা।

আমি ছোট রাজ্যের গল্প এবং রাজার ও মন্ত্রী কথা গুলো শুনে, গিয়েছিলান তাদের ফুল বাগানে।
সেখানে খুঁজে পেলাম মায়া রাণী কে। সে মানব দৃষ্টিতে খুবি নগন্য, মুখে মুখে ফুটিয়ে তুলে মিথ্যা কথা”র অহরহ বাণী।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
Copyright © All Right Reserved 2020 আমার দেশ প্রতিদিন
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )