1. admin@amardeshpbd.com : amardesh :
  2. sumarubelp@gmail.com : suma :
যশোরের কেশবপুরে সেতু নেই কপোতাক্ষ নদের, সাঁকোয় ঝুঁকিপূর্ণ পারাপার ৫০ হাজার মানুষ। - আমার দেশ প্রতিদিন
December 5, 2022, 3:37 pm
ব্রেকিং নিউজ:
রাবেয়া ক্লিনিকে রোগীকে ভুল অপারেশন করায় ডুমুরিয়া থানায় অভিযোগ, ভুক্তভোগীকে মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে ডাক্তার হাসান লালমনিরহাটে বন্ধ রাস্তা চালুর দাবীতে গ্রামবাসীদের মানববন্ধন আজ নাটোরে পালিত হলো বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস ডুমুরিয়ায় শিশু কন্যাকে যৌন হয়রানির অভিযোগে মন্টু মোল্যাকে আটক করেছে থানা পুলিশ ডুমুরিয়ার চুকনগরে এক সপ্তাহের ব্যাবধানে ৫টি দুঃসাহসিক চুরি সংঘটিত হয়েছে ফলে চুরি নিয়ে শঙ্কিত রয়েছে সাধারণ মানুষ গাবতলী নেপালতলী ইউপি চেয়ারম্যান বাবুর বিরুদ্ধে অনিয়ম-দূর্নীতির অভিযোগ বগুড়ায় জেলা যুবলীগের উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল চুনারুঘাটে ৪ কোটি ৩২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ২ টি ব্রিজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন বিমান প্রতিমন্ত্রী-এড.মাহবুব আলী সাংবাদিক ফারুক হোসেনর মৃত্যুতে বাংলাদেশ প্রেসক্লাব লালমনিরহাটের গভীর শোক প্রকাশ পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে কাপ্তাই সেনা জোনের উদ্যোগে গরিব ও দুস্থ্যদের মাঝে চিকিৎসা সেবা প্রদান

যশোরের কেশবপুরে সেতু নেই কপোতাক্ষ নদের, সাঁকোয় ঝুঁকিপূর্ণ পারাপার ৫০ হাজার মানুষ।

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, মার্চ ১৩, ২০২২,
  • 53 Time View

হাফিজুর শেখ কেশবপুর যশোর জেলা প্রতিনিধিঃযশোরের কেশবপুরের ত্রিমোহিনী বাজারে কপোতাক্ষ নদের ওপর ১টি ব্রিজের অভাবে ২০ গ্রামের মানুষকে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। প্রতিদিন হাজারও যাত্রী, শত শত শিক্ষার্থীকে ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো পারাপার হতে গিয়ে সীমাহীন দূর্ভোগে পড়ছে। এখানে ১টি ব্রিজ নির্মাণের দাবি গ্রামবাসীদের দীর্ঘদিনের। দেশ স্বাধীনের পর থেকে এ ব্রিজটি নির্মাণের জন্য এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে বহু আবেদন-নিবেদনও করা হয়েছে। বিভিন্ন সময় আশ্বাসও পাওয়া গেছে। কিন্তু আজো তা বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে এ পথে যাতায়াতকারী ২০ গ্রামের প্রায় ৫০ হাজার মানুষের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।জানা গেছে, কেশবপুর উপজেলা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে ত্রিমোহিনী বাজারের পাশের কপোতাক্ষ নদের ওপর মাত্র আধা কিলোমিটার একটি ব্রিজের অভাবে হাজার হাজার মানুষ দূর্ভোগে রয়েছে। কেশবপুরের ত্রিমোহিনী এলাকার মানুষকে বিভিন্ন প্রয়োজনে সাতক্ষীরার কলারোয়া অঞ্চলে এবং সাতক্ষীরার মানুষকে এ অঞ্চলে যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু একটি মাত্র সেতুর অভাবে এক কিলোমিটার পথ যেতে এসব মানুষকে ঘুরতে হয় প্রায় ২০ কিলোমিটার পথ। যা ভুক্তভোগীদের জন্য যেমন বিড়াম্বনার তেমনি সময়ও নষ্ট হয়। নদ তীরবর্তী দেয়াড়া, কাশিয়াডাঙ্গা, চালনদিয়া, দৌলতপুর, ছলিমপুর, পাটুলিয়া, গড়গড়িয়া, বাজে খোরদো, মাঠপাড়া, উলুডাঙ্গা, উলুশী, জানখা, আবাদপাড়া, পাকুড়িয়া, খোরদো, বাটরাসহ ২০ গ্রামে প্রায় ৫০ হাজার মানুষের বসবাস। সেখানে যোগাযোগের তেমন কোন উন্নয়ন না হওয়ায় রাষ্ট্রের অনেক জরুরী সুযোগ-সুবিধা ও সেবা থেকে বঞ্চিত রয়েছে ওইসব গ্রামের মানুষ। যোগাযোগ ব্যবস্থার এই আধুনিকতার যুগে এসে স্বাধীনতার ৫০ বছর পার হলেও কপোতাক্ষ নদের ওপর দিয়ে পারাপারের জন্য আজও কোন ব্রিজ নির্মাণ হয়নি। যার কারণে কপোতাক্ষ নদের ওপারের দেয়াড়া যাওয়াসহ তীরবর্তী এলাকার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থার কোনো উন্নয়ন ঘটেনি। ওই গ্রামগুলোতে সবচেয়ে বেশি ইরি ধান উৎপাদন হয়। যানবাহন চলাচলের উপযোগী সরাসরি কোনো পথ না থাকায় স্থানীয় কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত ধানসহ কৃষি পণ্যসামগ্রী সহজভাবে বাজারজাত করতে না পারায় নায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অনেকটা বাধ্য হয়েই মহাজনদের কাছে চলমান বাজার মূল্যের চেয়ে কম দামে কৃষি পণ্য বিক্রি করতে হয়। এখানে একটি সেতু নির্মাণ এলাকাবাসীর দাবি থাকলেও কারো যেন মাথা ব্যথা নেই।
ত্রিমোহিনী পোস্ট-ই সেন্টারের উদ্যোক্তা সাইফুল ইসলাম ও সাকোর পাশের দোকানদার স্বপন দত্ত জানান, প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির অনেক দূর, আর সে কথা বিবেচনা করে ঘাটের টোল তোলা বন্ধ করে কপোতাক্ষ নদ তীরবর্তী এলাকার দুই পারের মানুষ নিজেরা চাঁদা দিয়ে বাঁশ ক্রয় করে নির্মাণ করেছেন বাঁশের সাঁকো। এ সাঁকো দিয়ে প্রতিদিনই আত্মীয়ের বাড়ি যাওয়া, নিজেদের প্রয়োজনে কেশবপুর থেকে আসা পথচারী, ভ্যান, মোটরসাইকেল এবং ওপারের দেয়াড়া, খোরদো, বাটরা, পাকুড়িয়া, বামনখালিসহ ২০ গ্রামের হাজারও যাত্রী সাধারণ যাতায়াত করে থাকেন। ব্রিজ না থাকায় বাইসাইকেল, ভ্যান ও মোটরসাইকেলই তাদের একমাত্র বাহন। কিন্তু অর্থাভাবে দীর্ঘদিন ধরে বাঁশের সাঁকোটি মেরামত না করায় তা ভেঙ্গে চুরে নষ্ট হয়ে গেছে। এর ওপর দিয়ে ঝুকি নিয়ে ওপারের শত শত স্কুল, কলেজ, মাদরাসাগামী শিক্ষার্থীকে এপারের ত্রিমোহিনী বাজারের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করতে আসতে হয়। এছাড়া ভারতে যেতেও ওই সাঁকোটি ব্যবহার করতে হয় মানুষকে।
ত্রিমোহিনী বাজারের ব্যবসায়ি রবিউল ইসলাম রবি বলেন, কপোতাক্ষ নদের ওপর ব্রিজ নির্মাণের দাবি দীর্ঘদিনের হলেও সে দাবি বাস্তবায়নে কারো মাথা ব্যথা নেই। মাত্র আধা কিলোমিটার ব্রিজ নির্মিত হলে মানুষকে ২০ কিলোমিটার দুরত্ব অতিক্রম করতে হতো না। এখানকার কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য পেতো। প্রতিবারের মতো এবারো উভয় পারের মানুষ অধির আগ্রহ নিয়ে তাকিয়ে আছেন আগামী সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের আশ্বাসের দিকে। কবে হবে সেতুটি নির্মাণ?
এ ব্যাপারে কেশবপুর উপজেলা প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম বলেন, ওই স্থানে ব্রিজটি নির্মাণ হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। তারপরও কর্তৃপক্ষ অনুমোদন দিলে ব্রিজটি নির্মাণ হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
Copyright © All Right Reserved 2020 আমার দেশ প্রতিদিন
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )