1. admin@amardeshpbd.com : amardesh :
  2. sumarubelp@gmail.com : suma :
বীজ সংকটে পেঁয়াজ চাষি - আমার দেশ প্রতিদিন
November 27, 2022, 2:09 am

বীজ সংকটে পেঁয়াজ চাষি

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, নভেম্বর ৮, ২০২০,
  • 91 Time View

শেখ ইমন,ঝিনাইদহ

ঝিনাইদহের শৈলকূপায় দেখা দিয়েছে পেঁয়াজ বীজের তীব্র সংকট। এ দোকান-সে দোকান ঘুরেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত বীজের দেখা। এ নিয়ে চাষিদের মধ্যে চরম হতাশা দেখা গেছে।

তারা পাঁচ থেকে ছয় মণ পেঁয়াজ বিক্রি করে এক কেজি বীজ সংগ্রহ করতে পারছেন না বলে জানান। করোনাকালে বীজ আমদানি করা হাইব্রিড উচ্চফলনশীল জাতের পেঁয়াজ বীজ বিভিন্ন দেশ থেকে চাহিদা অনুযায়ী আমদানি করতে না পারায় এ সংকট বলে জানায় উপজেলা কৃষি বিভাগ।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এবার শৈলকূপায় ছয় হাজার ৭৫০ হেক্টরের বেশি জমিতে পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। শনিবার শৈলকূপা বাজারের বিভিন্ন বীজ ব্যবসায়ীর দোকান ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিটি দোকানে দলবেঁধে বীজের জন্য দাঁড়িয়ে আছেন চাষিরা। টাকা দিয়েও মিলছে না পেঁয়াজের বীজ। হাইব্রিড জাতের এক কেজি বীজ ১৫ হাজার, লাল তীর কিং ১২ হাজার, লাল তীর-বিশ সাত হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছিল বলে জানা যায়।

উপজেলার মহিষাডাঙ্গা গ্রামের চাষি শ্যামল সরকার জানান, শনিবার তিনি পেঁয়াজ বিক্রি করেছেন দুই হাজার ৪০০ টাকা মণ। এক কেজি পেঁয়াজ বীজের দাম ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা। পাঁচ থেকে ছয় মণ পেঁয়াজ বিক্রি করে মিলছে না এক কেজি পেঁয়াজের বীজ। গতবার তিনি এ বীজ কিনেছিলেন এক হাজার টাকা কেজি। এবার এত দামের পরও মিলছে না বীজ।

আউশিয়া গ্রামের চাষি রকি বিশ্বাস জানান, তিনি এবার ১০ বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষ করবেন। এক বিঘা জমিতে উচ্চফলনশীল জাতের পেঁয়াজ চাষ করলে ৬০-৭০ মণ পেঁয়াজ পাওয়া যায়। খরচ আনুমানিক ৫০ হাজার টাকার বেশি। এক কেজি পেঁয়াজ বীজ ভালো হলে তা থেকে যে চারা পাওয়া যাবে, তা এক বিঘা জমিতে রোপণ করা যায়। তিনি জানান, ১৫ হাজার টাকায়ও মিলছে না এক কেজি পেঁয়াজের বীজ। শতকরা ৫০ জন চাষি আগাম বীজ রোপণ করেছিলেন বীজতলায়। তাদের মধ্যে আবার অর্ধেক চাষির বীজ নষ্ট হয়েছে। এ জন্য আরও সংকট দেখা দিয়েছে বলে পেঁয়াজচাষি রকি জানান।

শৈলকূপা বাজারের দিশারী বীজ ভান্ডারের মালিক রাশেদুল হাসান জানান, পেঁয়াজ বীজের তীব্র সংকট। তারাও কোনো পাইকারি দোকানে মেলাতে পারছেন না চাষিদের চাহিদার বীজ। গত শুক্রবার তিনি এক কেজি লাল তীর কিং ১১ হাজার টাকায় বিক্রি করলেও শনিবার তিনি আর কোথাও খুঁজে পাচ্ছেন না এ বীজ। ফলে চাষিরা হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন বলে তিনি জানান।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আকরাম হোসেন জানান, শৈলকূপা দেশের অন্যতম পেঁয়াজ উৎপাদনকারী এলাকা। তিনিও শুনেছেন পেঁয়াজের বীজের সংকটের কথা। উপজেলায় এবার ছয় হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। গতবারের থেকে এবার বেশি দামে বীজ বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে অধিক ফলনের জন্য চাষিরা আর দেশি জাতের পেঁয়াজ চাষ করতে চান না। হাইব্রিড জাতের বীজ বাইরের দেশ থেকে আমদানি করতে হয়। করোনাকালে আমদানিকারকরা তাদের চাহিদা অনুযায়ী বীজ আমদানি করতে না পারায় হয়তো এ সংকট বলে তিনি জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
Copyright © All Right Reserved 2020 আমার দেশ প্রতিদিন
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )