1. admin@amardeshpbd.com : amardesh :
  2. sumarubelp@gmail.com : suma :
পিবিআই যা বললো রায়হান হত্যা নিয়ে - আমার দেশ প্রতিদিন
December 3, 2022, 11:58 am
ব্রেকিং নিউজ:
পাইকগাছা উপজেলা সাংস্কৃতিক জোটের সমন্বয়ক কমিটি ঘোষনা চুনারুঘাটের গ্রাম্য মোড়ল দ্বারা সমাজচ্যুত হামিদা বেগম ৫ জন কে আসামী করে থানায় অভিযোগ দায়ের রাজশাহীতে বিএনপির গণসমাবেশ; পথে পথে পুলিশের বাধা রাজস্থলী ও বাঙ্গালহালিয়াতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২৫ বর্ষপূর্তি উদযাপন জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের ২৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে জিয়া রহমানের মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা কারামুক্ত হলেন আলোচিত আব্বাস আলী বিএমএসএস সিলেট বিভাগীয় সম্মেলন ৩রা ডিসেম্বর সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন দেশবাংলার রাজশাহী বিভাগীয় প্রধানকে হুমকি, ১০১ সাংবাদিকের বিবৃতি একাধিক এ প্লাস পাওয়ায় কাশিনাথপুর কামরুজ্জামান ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের আনন্দ শোভাযাত্রা নেইমার বিশ্বকাপ খেলবে তিতে

পিবিআই যা বললো রায়হান হত্যা নিয়ে

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, মে ৬, ২০২১,
  • 108 Time View

নুরউদ্দিন আহমেদ রনি, বিশেষ প্রতিনিধি।

সিলেটের বন্দরবাজারে পুলিশ ফাঁড়িতে যুবক রায়হান আহমদ হত্যা মামলার অভিযোগপত্র কোর্ট পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে পিবিআই। এতে বরখাস্ত ওই ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) আকবর হোসেন ভূঁইয়াসহ ছয় জনের নাম রয়েছে। আদালতের কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর কোর্ট পুলিশ অভিযোগপত্রটি আদালতে দাখিল করবে। বুধবার (৫ মে) পিবিআই তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ সুপার খালেদ-উজ-জামান অভিযোগপত্রটি হস্তান্তর করেন। অভিযোগপত্রে ৬৯ জনকে সাক্ষী রাখা হয়েছে। সেই সঙ্গে আলোচিত এই মামলায় ১৬৪ ধারায় ১০ জন সাক্ষী আদালতে জবানবন্দি দেন।

২২ পৃষ্টার অভিযোগপত্রে ছয় জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়া, টুআইসি এসআই হাসান আলী, এএসআই আশেকে এলাহী, কনস্টেবল হারুনুর রশিদ, কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাস, কারাগারে থাকলেও ঘটনার পর থেকে লাপাত্তা রয়েছে কোম্পানী গঞ্জের সাংবাদিক আব্দুল্লাহ আল নোমান নামে এক যুবক। পিবিআই তাকে পলাতক দেখিয়ে অভিযোগ পত্রটি কোর্ট পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

বুধবার দুপুরে পিবিআই সিলেটের সদর দফতরে রায়হান হত্যার সার্বিক বিষয় নিয়ে প্রেস ব্রিফ্রিং করেন বিশেষ পুলিশ সুপার হুমায়ুন কবীর। তিনি বলেন, পিবিআই রায়হান হত্যা মামলার তদন্তভার পাওয়ার পর মহানগর পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন, সাক্ষ্য নেওয়া, সাক্ষীদের জবান বন্দিসহ নানা বিষয় পর্যালোচনা করে অভিযোগপত্র প্রস্তুত করে। অভিযোগ পত্রসহ মোট কেস ডকেট এক হাজার ৯৬২ পৃষ্ঠা রয়েছে। এর মধ্যে ২২ পৃষ্ঠা হচ্ছে শুধু অভিযোগপত্র। পিবিআই তদন্ত করার সময় রায়হানের সঙ্গে কোনও পুলিশ সদস্যদের শত্রুতা ছিল কিনা সে বিষয়টি তদন্ত করা হয়। তবে এর সত্যতা মেলেনি। এছাড়াও পিবিআই আকবরের কাছ থেকে উদ্ধার ডিভাইসগুলো অ্যানালাইসিস করে প্রাপ্ত তথ্য অভিযোগপত্রে দাখিল করে।

তিনি বলেন, গোলাপগঞ্জের প্রতারক সাইদুল শেখ ও রনি শেখ ১০ অক্টোবর দিনগত রাত ১টা ৪৫ মিনিটে কাস্টোঘর সুইপার কলোনি থেকে চার পিস ইয়াবা কেনে। কেনার পর ইয়াবাগুলো আসল নয় বলে তারা বুঝতে পারেন। এরপর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রায়হান আহমদ মারপিট করে, পরে সাইদুল শেখের কাছ থেকে মোবাইল ও ৯ হাজার ৭০০ টাকা নিয়ে যায় বলে। পরে কোতয়ালি থানাধীন মাশরাফিয়া রেস্টুরেন্টের সামনে গিয়ে পুলিশ ফাঁড়ির সিয়েরা-৪ ও রোমিও-৪ টিমের কাছে সাইদুল শেখ ও রনি শেখ, মৌখিক ভাবে অভিযোগ করে। পুলিশ কাস্টো ঘরের চুলাই লালের ঘর থেকে রায়হান আহমদকে আটক করে, বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যায়। পুলিশ পরিচয়ে ছিনতাই, পুলিশের সঙ্গে খারাপ আচরণ করায় রায়হানকে ফাঁড়িতে নিয়ে এসআই আকবর বেতের লাঠি দিয়ে নিষ্ঠুরভাবে মারপিট করে। ১১ অক্টোবর সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে ওসমানী মেডিক্যালে রায়হানকে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য আসামিরা ভিকটিম রায়হানকে কাস্টঘরে ছিনতাই কালে গণপিটুনিতে মারা যাওয়ার মিথ্যা তথ্য প্রচার করে এবং ঘটনার আলামত ধ্বংস করে।

তিনি আরও বলেন, পিবিআই দাখিল করা অভিযোগ পত্রে মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবনের দুটি ধারা রয়েছে।

জানা যায়, এ ঘটনায় পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে রায়হানের স্ত্রীর করা মামলার পর মহানগর পুলিশের একটি অনুসন্ধান কমিটি তদন্ত করে ফাঁড়িতে নিয়ে রায়হানকে নির্যাতনের সত্যতা পায়। এরপর ওই ফাঁড়ির ইনচার্জের দায়িত্বে থাকা উপপরিদর্শক (এসআই) আকবর হোসেন ভূঁইয়াসহ চার জনকে ১২ অক্টোবর সাময়িক বরখাস্ত ও তিন জনকে প্রত্যাহার করা হয়। ১৩ অক্টোবর পুলিশি হেফাজত থেকে পালিয়ে যায় আকবর। ৯ নভেম্বর সিলেটের কানাইঘাট সীমান্ত থেকে আকবরকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে বরখাস্ত কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাস ও হারুন অর রশিদ, এবং প্রত্যাহার হওয়া এএসআই আশেক এলাহীকে গ্রেফতার করা হয়। ১১ অক্টোবর রায়হানের মৃত্যুর দিনই ওসমানী মেডিক্যাল কলেজের মর্গে প্রথম ময়না তদন্ত হয়। ময়না তদন্ত শেষে রায়হানের শরীরে ১১১টি আঘাতের চিহ্ন পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়। ভিসেরা রিপোর্টেও নির্যাতনের বিষয়টি উঠে আসে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
Copyright © All Right Reserved 2020 আমার দেশ প্রতিদিন
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )