1. admin@amardeshpbd.com : amardesh :
  2. sumarubelp@gmail.com : suma :
নববর্ষের আগের দিন,, বাঙ্গালহালিয়াতে চড়ক পুজা অনুষ্ঠিত। - আমার দেশ প্রতিদিন
December 3, 2022, 12:11 am
ব্রেকিং নিউজ:
পাইকগাছা উপজেলা সাংস্কৃতিক জোটের সমন্বয়ক কমিটি ঘোষনা চুনারুঘাটের গ্রাম্য মোড়ল দ্বারা সমাজচ্যুত হামিদা বেগম ৫ জন কে আসামী করে থানায় অভিযোগ দায়ের রাজশাহীতে বিএনপির গণসমাবেশ; পথে পথে পুলিশের বাধা রাজস্থলী ও বাঙ্গালহালিয়াতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২৫ বর্ষপূর্তি উদযাপন জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের ২৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে জিয়া রহমানের মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা কারামুক্ত হলেন আলোচিত আব্বাস আলী বিএমএসএস সিলেট বিভাগীয় সম্মেলন ৩রা ডিসেম্বর সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন দেশবাংলার রাজশাহী বিভাগীয় প্রধানকে হুমকি, ১০১ সাংবাদিকের বিবৃতি একাধিক এ প্লাস পাওয়ায় কাশিনাথপুর কামরুজ্জামান ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের আনন্দ শোভাযাত্রা নেইমার বিশ্বকাপ খেলবে তিতে

নববর্ষের আগের দিন,, বাঙ্গালহালিয়াতে চড়ক পুজা অনুষ্ঠিত।

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১৪, ২০২২,
  • 64 Time View

মোঃ সুমন বিশেষ প্রতিনিধি

পার্বত্য চট্টগ্রামে ২য় তম চড়ক পূজা রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়াতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শ্রীমৎ স্বামী জ্যোতিশ্বেরানন্দ গিরি পুরি মহারাজ (১০৮)এর ১১৩তম আবির্ভাব উপলক্ষে সনাতন সম্প্রদায়ের উদ্যোগে নববর্ষের আগের দিনে শ্রী শ্রী চড়ক পুজা আয়োজন করেন। পূজা ঘুরে জানাযায় চড়ক পুজো কবে কী ভাবে শুরু হয়েছিল। ১৪৮৫ খ্রিস্টাব্দে সুন্দরানন্দ ঠাকুর নামের এক রাজা এই পুজোর প্রচলন করেন। রাজ পরিবারের লোকজন এই পুজো আরম্ভ করলেও চড়কপুজো কখনও রাজ-রাজড়াদের পুজো ছিল না।
হাইলাইটস এই পূজার অপর নাম নীল পূজা। গম্ভীরাপূজা বা শিবের গাজন এই চড়ক পুজোরই রকমফের।
আগের দিন ৮০ ফুট রম্বা চড়ক গাছটিকে ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করা হয়।
পতিত ব্রাহ্মণ এই পুজোর পুরোহিতের দায়িত্ব পালন করেন। বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, চৈত্র মাসের শেষ দিন বা চৈত্র সংক্রান্তিতে পালিত হয় চড়ক পুজো। এটি মূলত সনাতন সম্প্রদায়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লোকোৎসব। নববর্ষের আগের দিন একদিনব্যাপী এই চড়ক পূজার উৎসব চলে। লিঙ্গপুরাণ, বৃহদ্ধর্মপুরাণ এবং ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণে চৈত্র মাসে শিবের আরাধনা এবং উৎসবের উল্লেখ থাকলেও চড়ক পূজার উল্লেখ নেই। তবে পাশুপত সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রাচীনকালে এই উৎসব প্রচলিত ছিল।রাজ পরিবারের লোকজন এই পুজো আরম্ভ করলেও পূজারিদের কাছে ‘বুড়োশি পুজোর বিশেষ বিশেষ অঙ্গ হলো কুমিরের পুজো, জ্বলন্ত অঙ্গারের ওপর হাঁটা, কাঁটা আর ছুরির ওপর লাফানো, বাণফোঁড়া, শিবের বিয়ে, অগ্নিনৃত্য, চড়কগাছে দোলা এবং দানো-বারানো বা হাজারা পুজো করা।
এই সব পুজোর মূলে রয়েছে ভূতপ্রেত ও পুনর্জন্মবাদের ওপর বিশ্বাস। পুজোর উৎসবে নানা রকমের দৈহিক যন্ত্রণা ধর্মের অঙ্গ বলে বিবেচিত হয়। চড়কগাছে ভক্ত বা সন্ন্যাসীকে লোহার হুড়কা দিয়ে চাকার সঙ্গে বেঁধে দ্রুতবেগে ঘোরানো হয়। তার পিঠে, হাতে, পায়ে, জিহ্বায় এবং শরীরের অন্যান্য অঙ্গে বাণ শলাকা বিদ্ধ করা হয়। কখনও কখনও জ্বলন্ত লোহার শলাকা তার গায়ে ফুঁড়ে দেওয়া হয়।
১৮৬৫ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ সরকার আইন করে বন্ধ করলেও গ্রামবাংলার যে সব অঞ্চল মূলত কৃষিপ্রধান সেখানেই চড়কপূজা উৎসব হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
পূজা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বিমল দেব, পংকজ ভুষন চৌধুরী, বিশ্বনাথ চৌধুরী,হারাধন কর্মকার, প্রবীর দত্ত, সন্তোষ শীল, নিপতি দে, রিটন দত্ত,পুলক সাহা, নয়ন চৌধুরী,বাহাদুর কর্মকার, ইউপি সদস্য শিমুল দাস, বাপ্পী দেব প্রমুখ। দুপুরে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
Copyright © All Right Reserved 2020 আমার দেশ প্রতিদিন
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )