1. admin@amardeshpbd.com : amardesh :
  2. sumarubelp@gmail.com : suma :
নওগাঁর রাণীনগরের আতাইকুলা বধ্যভূমি আজ ও অবহেলায় পড়ে আছে। - আমার দেশ প্রতিদিন
December 5, 2022, 1:50 pm
ব্রেকিং নিউজ:
বগুড়ায় জেলা যুবলীগের উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল চুনারুঘাটে ৪ কোটি ৩২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ২ টি ব্রিজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন বিমান প্রতিমন্ত্রী-এড.মাহবুব আলী সাংবাদিক ফারুক হোসেনর মৃত্যুতে বাংলাদেশ প্রেসক্লাব লালমনিরহাটের গভীর শোক প্রকাশ পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে কাপ্তাই সেনা জোনের উদ্যোগে গরিব ও দুস্থ্যদের মাঝে চিকিৎসা সেবা প্রদান বগুড়ায় ছুরিকাঘাতে আহত মেডিকেল ছাত্র অবশেষে নিহত কাপ্তাইয়ে প্রতিবন্ধী দিবসে শিশুদের নিয়ে আনন্দ আয়োজন পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ২৭৪ জন গরিব দুস্থ্যদের মাঝে চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করেছেন কাপ্তাই সেনা জোন নরসিংদীর রায়পুরায় ইউপি চেয়ারম্যান জাফর ইকবাল মানিককে গুলি করে হত্যা হিরোইনসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার পাইকগাছায় শহীদ দিবস ও বিজয় দিবস উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা

নওগাঁর রাণীনগরের আতাইকুলা বধ্যভূমি আজ ও অবহেলায় পড়ে আছে।

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ডিসেম্বর ৪, ২০২০,
  • 84 Time View

নুরুজ্জামান লিটন,জেলা প্রতিনিধি,নওগাঁঃ

নওগাঁর রাণীনগরের আতাইকুলা গ্রামের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বহনকারী একমাত্র ঐতিহাসিক ৫২জন শহীদের বধ্যভূমিতে স্বাধীনতার ৪৮বছর পার হলেও আজও উন্নয়নের কোন ছোঁয়া লাগেনি। ৫বছর পার হলেও বাস্তবায়ন করা হয়নি প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া নির্দেশনা।

বধ্যভূমিটি শহীদ পরিবারের সদস্যরা নিজেদের উদ্যোগে কোন রকমে ইটের প্রাচীর দিয়ে ঘিরে রেখেছে মাত্র। কিন্তু এটি সংরক্ষণ ও স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করে আগামীর প্রজন্মের কাছে নতুন করে তুলে ধরতে ৫২জন শহীদদের স্মৃতি রক্ষার্থে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া নির্দেশনার দ্রুত বাস্তবায়ন চান শহীদ পরিবার ও স্থানীয়রা।

ওই দিনের নারকীয় ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েও বেঁচে যাওয়া আতাইকুলা গ্রামের প্রদ্যুত চন্দ্র পাল, সাধন চন্দ্র পাল ও নিখিল চন্দ্র পাল ওই দিনের করুন হত্যাযজ্ঞের কাহিনী অশ্রুসিক্ত নয়নে বর্ণনা করে বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ এপ্রিল রোজ রবিবার সকাল ১০টায় ছোট যমুনা নদী পার হয়ে আসে একদল হানাদার বাহিনী। মুক্তিযোদ্ধারা এই গ্রামে আছে বলে তারা সন্দেহ করে প্রথমে গ্রামটিকে ঘিরে ফেলে প্রতিটি বাড়ী থেকে নগদ টাকা স্বর্ণালংকারসহ বাড়ীর নারী পুরুষকে ধরে নিয়ে ওই গ্রামের বলরাম চন্দ্রের বাড়ীর উঠানে নিয়ে যায়।
সেখানে পুরুষদের উঠানে সারিবদ্ধ করে দাঁড়িয়ে রাখে আর উঠানের পাশেই নারীদের এক ঘরে রাখে। একের পর এক নারীদের উপরে চালায় পাশবিক নির্যাতন। পরে সারিবদ্ধ পুরুষদের উপরে চলে ব্রাশ ফায়ার। মুহূর্তের মধ্যেই ওই গ্রামের ৫২জন শহীদ হন। পরে তারা বিভিন্ন বাড়ীতে লুটপাটসহ অগ্নিসংযোগ করে চলে যায়। শহীদদের মধ্য থেকে গুলিবিদ্ধ হয়েও কোন রকমে বেঁচে যায় প্রদ্যুত পাল, সাধন পাল ও নিখিল পাল।

প্রদ্যুত পাল জানান, ওই দিন তার বাবা, কাকা জ্যাঠা এবং গ্রামের লোকজনের সাথে তাকেও সারিবদ্ধ করে চালায় ব্রাশ ফায়ার। মুহূর্তের মধ্যে প্রাণ হারায় ৫২ জন লোক। হানাদার বাহিনীরা চলে যাবার পর রক্তাক্ত ও গুলিবিদ্ধ অবস্থায় লাশের মধ্য থেকে কোন রকমে বেঁচে গিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় সে তার বাড়ীতে যায়।

সাবেক সংসদ সদস্য শাহীন মনোয়ারা হক গত ১৯৯৬সালে নিজ উদ্যোগে কিছু অনুদান দিয়ে কোন রকমে ফলকে শহীদদের নাম লিপিবদ্ধ করার কাজ সম্পন্ন করেন। এরপর এখানে আর কোন কাজ হয়নি। তাই বধ্যভূমিটি পরে আছে অযত্ন আর অবহেলায়।

শহীদ গোবিন্দ চরন পালের ছেলে গৌতম পাল বলেন অনেক চেষ্টার পর ২০১৫সালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ৫২জন শহীদের আত্মদান স্মরণে বধ্যভূমি সংরক্ষণ, শহীদদের নাম সরকারি গেজেট অন্তর্ভুক্তি, স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের অর্থ বরাদ্দ ও শহীদদের অসহায় পরিবারকে মূল্যায়ন ও আর্থিক সাহায্য প্রদানের নির্দেশনা প্রদান করা হয়। কিন্তু জমি অধিগ্রহণের সমস্যার কারণে এখন পর্যন্ত বধ্যভূমি সংরক্ষণ ও স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের কোন পদক্ষেপই গ্রহণ করেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। আমরা ইতিমধ্যেই ৮ শতাংশ জমি বধ্যভূমিতে দান করেছি। আশা রাখি দ্রুতই বধ্যভূমি সংরক্ষণ ও স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে। আর আমাদের দীর্ঘদিনের দাবী পূরণ করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল মামুন বলেন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে কাজ করা হচ্ছে। গণপূর্ত বিভাগকে জমি অধিগ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। আশা করছি দ্রুত বধ্যভূমি সংরক্ষণ ও স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে।নওগাঁর রাণীনগরের আতাইকুলা বধ্যভূমি আজ ও অবহেলায় পড়ে আছে।

নুরুজ্জামান লিটন,জেলা প্রতিনিধি,নওগাঁঃ

নওগাঁর রাণীনগরের আতাইকুলা গ্রামের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বহনকারী একমাত্র ঐতিহাসিক ৫২জন শহীদের বধ্যভূমিতে স্বাধীনতার ৪৮বছর পার হলেও আজও উন্নয়নের কোন ছোঁয়া লাগেনি। ৫বছর পার হলেও বাস্তবায়ন করা হয়নি প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া নির্দেশনা।

বধ্যভূমিটি শহীদ পরিবারের সদস্যরা নিজেদের উদ্যোগে কোন রকমে ইটের প্রাচীর দিয়ে ঘিরে রেখেছে মাত্র। কিন্তু এটি সংরক্ষণ ও স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করে আগামীর প্রজন্মের কাছে নতুন করে তুলে ধরতে ৫২জন শহীদদের স্মৃতি রক্ষার্থে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া নির্দেশনার দ্রুত বাস্তবায়ন চান শহীদ পরিবার ও স্থানীয়রা।

ওই দিনের নারকীয় ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েও বেঁচে যাওয়া আতাইকুলা গ্রামের প্রদ্যুত চন্দ্র পাল, সাধন চন্দ্র পাল ও নিখিল চন্দ্র পাল ওই দিনের করুন হত্যাযজ্ঞের কাহিনী অশ্রুসিক্ত নয়নে বর্ণনা করে বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ এপ্রিল রোজ রবিবার সকাল ১০টায় ছোট যমুনা নদী পার হয়ে আসে একদল হানাদার বাহিনী। মুক্তিযোদ্ধারা এই গ্রামে আছে বলে তারা সন্দেহ করে প্রথমে গ্রামটিকে ঘিরে ফেলে প্রতিটি বাড়ী থেকে নগদ টাকা স্বর্ণালংকারসহ বাড়ীর নারী পুরুষকে ধরে নিয়ে ওই গ্রামের বলরাম চন্দ্রের বাড়ীর উঠানে নিয়ে যায়।
সেখানে পুরুষদের উঠানে সারিবদ্ধ করে দাঁড়িয়ে রাখে আর উঠানের পাশেই নারীদের এক ঘরে রাখে। একের পর এক নারীদের উপরে চালায় পাশবিক নির্যাতন। পরে সারিবদ্ধ পুরুষদের উপরে চলে ব্রাশ ফায়ার। মুহূর্তের মধ্যেই ওই গ্রামের ৫২জন শহীদ হন। পরে তারা বিভিন্ন বাড়ীতে লুটপাটসহ অগ্নিসংযোগ করে চলে যায়। শহীদদের মধ্য থেকে গুলিবিদ্ধ হয়েও কোন রকমে বেঁচে যায় প্রদ্যুত পাল, সাধন পাল ও নিখিল পাল।

প্রদ্যুত পাল জানান, ওই দিন তার বাবা, কাকা জ্যাঠা এবং গ্রামের লোকজনের সাথে তাকেও সারিবদ্ধ করে চালায় ব্রাশ ফায়ার। মুহূর্তের মধ্যে প্রাণ হারায় ৫২ জন লোক। হানাদার বাহিনীরা চলে যাবার পর রক্তাক্ত ও গুলিবিদ্ধ অবস্থায় লাশের মধ্য থেকে কোন রকমে বেঁচে গিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় সে তার বাড়ীতে যায়।

সাবেক সংসদ সদস্য শাহীন মনোয়ারা হক গত ১৯৯৬সালে নিজ উদ্যোগে কিছু অনুদান দিয়ে কোন রকমে ফলকে শহীদদের নাম লিপিবদ্ধ করার কাজ সম্পন্ন করেন। এরপর এখানে আর কোন কাজ হয়নি। তাই বধ্যভূমিটি পরে আছে অযত্ন আর অবহেলায়।

শহীদ গোবিন্দ চরন পালের ছেলে গৌতম পাল বলেন অনেক চেষ্টার পর ২০১৫সালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ৫২জন শহীদের আত্মদান স্মরণে বধ্যভূমি সংরক্ষণ, শহীদদের নাম সরকারি গেজেট অন্তর্ভুক্তি, স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের অর্থ বরাদ্দ ও শহীদদের অসহায় পরিবারকে মূল্যায়ন ও আর্থিক সাহায্য প্রদানের নির্দেশনা প্রদান করা হয়। কিন্তু জমি অধিগ্রহণের সমস্যার কারণে এখন পর্যন্ত বধ্যভূমি সংরক্ষণ ও স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের কোন পদক্ষেপই গ্রহণ করেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। আমরা ইতিমধ্যেই ৮ শতাংশ জমি বধ্যভূমিতে দান করেছি। আশা রাখি দ্রুতই বধ্যভূমি সংরক্ষণ ও স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে। আর আমাদের দীর্ঘদিনের দাবী পূরণ করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল মামুন বলেন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে কাজ করা হচ্ছে। গণপূর্ত বিভাগকে জমি অধিগ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। আশা করছি দ্রুত বধ্যভূমি সংরক্ষণ ও স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
Copyright © All Right Reserved 2020 আমার দেশ প্রতিদিন
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )