1. admin@amardeshpbd.com : amardesh :
  2. sumarubelp@gmail.com : suma :
দেশের সব নদীপথ সচল হচ্ছে,কাজিপুর নদী শাসনে একনেক এ অর্থ পাশ - আমার দেশ প্রতিদিন
December 5, 2022, 3:48 pm
ব্রেকিং নিউজ:
রাবেয়া ক্লিনিকে রোগীকে ভুল অপারেশন করায় ডুমুরিয়া থানায় অভিযোগ, ভুক্তভোগীকে মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে ডাক্তার হাসান লালমনিরহাটে বন্ধ রাস্তা চালুর দাবীতে গ্রামবাসীদের মানববন্ধন আজ নাটোরে পালিত হলো বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস ডুমুরিয়ায় শিশু কন্যাকে যৌন হয়রানির অভিযোগে মন্টু মোল্যাকে আটক করেছে থানা পুলিশ ডুমুরিয়ার চুকনগরে এক সপ্তাহের ব্যাবধানে ৫টি দুঃসাহসিক চুরি সংঘটিত হয়েছে ফলে চুরি নিয়ে শঙ্কিত রয়েছে সাধারণ মানুষ গাবতলী নেপালতলী ইউপি চেয়ারম্যান বাবুর বিরুদ্ধে অনিয়ম-দূর্নীতির অভিযোগ বগুড়ায় জেলা যুবলীগের উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল চুনারুঘাটে ৪ কোটি ৩২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ২ টি ব্রিজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন বিমান প্রতিমন্ত্রী-এড.মাহবুব আলী সাংবাদিক ফারুক হোসেনর মৃত্যুতে বাংলাদেশ প্রেসক্লাব লালমনিরহাটের গভীর শোক প্রকাশ পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে কাপ্তাই সেনা জোনের উদ্যোগে গরিব ও দুস্থ্যদের মাঝে চিকিৎসা সেবা প্রদান

দেশের সব নদীপথ সচল হচ্ছে,কাজিপুর নদী শাসনে একনেক এ অর্থ পাশ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, নভেম্বর ৪, ২০২০,
  • 136 Time View

এসএমএ কামাল পারভেজ
সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
✍️✍️✍️✍️

নদীমাতৃক বাংলাদেশের নদ-নদীই তার প্রাণ। ছোট-বড় প্রায় ৪৯১ টির মতো নদী রয়েছে এদেশে। এসব নদীর পানি এবং পানিবাহিত পলল বাংলার কৃষকদের অক্লান্ত পরিশ্রমে স্বস্তি যোগায়, ঢেলে দেয় হাতভরে সবুজের সমারোহ। দিনে দিনে নদীগুলো রুগ্ন হয়ে যাচ্ছে। হচ্ছে দখল আর ঘটছে দুষণ। আবার নাব্যতা হারিয়ে ভাঙছে দু পাড়।অবশেষে এসব সমাধানে এগিয়ে এসেছে বর্তমান সরকর। নদ-নদীর গতিপ্রবাহ ঠিক রাখা, বন্ধ হয়ে যাওয়া নৌপথ পুনরুদ্ধার, নদী খনন, নদী দখল ও ভাঙন রোধ, নদী শাসন এবং দেশের সার্বিক নদী ব্যবস্থাপনায় একটি পরিকল্পিত মাষ্টারপ্ল্যান প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এই মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নে গঠিত কমিটি ধারণাপত্র জমা দিয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে দেশে সচল নৌ-রুট রয়েছে ছয় হাজার কিলোমিটার, যা ষাট দশকের প্রথম দিকে ছিল ২৪ হাজার কিলোমিটার। দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময় পর ২০১৮ সালে দেশের নৌ-রুট চিহ্নিতকরণ, পুরনো রুটগুলো ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে সচল রাখার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি নাব্যতা সুনিশ্চিত করার পরিকল্পনা নেয়া হয়। ইতোমধ্যে এই মাস্টার প্ল্যানের একটি ধারণাপত্র জমা দেয়া হয়েছে। এতে দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ৪৯১টি নদী খনন ও রক্ষণাবেক্ষণের পাশাপাশি দেশের নৌপথকে ১৪ থেকে ১৫ হাজার কিলোমিটারে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৭৮টি নদী রক্ষণাবেক্ষণ ও নৌপথ উন্নয়নের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষকে (বিআইডব্লিউটিএ)।
৩৩১টি নদীর নৌপথের উন্নয়ন তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব পড়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বাপাউবো) ওপর। এর মধ্যে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনার মতো বড় নদীও রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ৪৯১টি নদী প্রকল্পের আওতায় রাখা হলেও পরবর্তীতে তা বাড়ানো হবে।

মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নে গঠিত ১১ সদস্যের কমিটির প্রধান করা হয়েছে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিবকে। কমিটিতে অন্যদের মধ্যে রয়েছেন বিআইডব্লিউটিএ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি), হাওর বোর্ড, পরিবেশ অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) বিশেষজ্ঞরা।

বিআইডব্লিউটিএ সূত্র জানায়, দেশের নৌ-রুট নির্ণয়, নৌ-রুটের সংস্কারসহ সামগ্রিক বিষয় নিয়ে সর্বশেষ জরিপ হয় ১৯৮৪ সালে। তিন বছর মেয়াদি এই জরিপ পরিচালিত হয়ছিল নেদারল্যান্ডসের সহায়তায়। ১৯৮৭ সালে এই কার্যক্রম শেষ হয়, যা স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে প্রথম জরিপ কার্যক্রম।

মাস্টারপ্ল্যানের কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত বিআইডব্লিউটিএ’র অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রকিবুল ইসলাম তালুকদার জানান, গত ৩৪ বছরে দেশের নদী ও নৌপথের যথাযথ সার্ভে হয়নি। বিআইডব্লিউটিএ দেশের নৌ-রুটগুলো সচল রাখতে জরুরী ভিত্তিতে কিছু কিছু নদীপথের জরিপ ও ড্রেজিং কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

তিনি আরো বলেন, সড়কপথের চেয়ে কম খরচে পণ্য পরিবহনের জন্য উপযুক্ত এই যোগাযোগ ব্যবস্থা বিভিন্ন সময় অবহেলিত হয়ে আসছিল। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দীর্ঘ তিন দশক পর দেশের বন্ধ হয়ে যাওয়া নৌপথ পুনরায় চালু, নতুন নৌপথ সৃষ্টি, নৌ-রুট বৃদ্ধি সর্বোপরি নৌপথের সুরক্ষার একটি ধারণাপত্র আমরা জমা দিয়েছি। ধারণাপত্রে নদীর নাব্যতা সংকট দূর করতে বিভিন্ন নদী ও নৌপথের ড্রেজিংয়ের জন্য একটি মডেল তৈরী এবং ড্রেজিং কীভাবে দীর্ঘস্থায়ী হয় সেই বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। একইসঙ্গে প্রাথমিক ও জরুরিভিত্তিতে কতটি নদী পরিকল্পনায় আনা হবে তার উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) জানা গেছে কাজিপুরের শুভগাছা থেকে মেঘাই পর্যন্ত সাড়ে ছয় কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ ও খনন কাজের জন্যে ৫৪০ কোটি টাকা একনেক বৈঠকে পাশ হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে এতে করে কাজিপুরের নদীভাঙন অনেকটাই কমে যাবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
Copyright © All Right Reserved 2020 আমার দেশ প্রতিদিন
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )