1. admin@amardeshpbd.com : amardesh :
  2. sumarubelp@gmail.com : suma :
ডিসেম্বরের এই দিন - আমার দেশ প্রতিদিন
November 29, 2022, 10:23 am
ব্রেকিং নিউজ:

ডিসেম্বরের এই দিন

স্বীকৃতি বিশ্বাসঃ
  • Update Time : বুধবার, ডিসেম্বর ২, ২০২০,
  • 91 Time View

স্বীকৃতি বিশ্বাস।

“স্বাধীনতা হীনতায়
কে বাঁচিতে চায় হে,
কে বাঁচিয়ে চায় হে।” – শাসন আর শোষণ যখন চরম পর্যায়ে পৌঁছে যায় তখন সাধারন জনগন ঘুরে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করে। ভাষার জন্য প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ করে যখন পাকিস্তানিদের পিছু হটাতে সক্ষম হয় তখন থেকে বাঙালি জাতীয়তাবাদের অগ্নিস্ফুলিঙ্গ হয়।আর এই অগ্নিস্ফুলিঙ্গ ৫২ সাল থেকে শুরু করে ৬২,৬৬,৬৯ ও ৭০ সালের সালের হটোকারিতা নির্বাচনের কারনে আন্দোলনের গতিবেগ দ্বিগুণ হয়ে শহর থেকে গ্রামে,বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্কুলে ছড়িয়ে পড়ে।

আজ বিজয়ের মাস ডিসেম্বরের দ্বিতীয় দিন। আজ থেকে ৪৯ বছর আগে ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলার দামাল সন্তানেরা জননী সদৃশ্য মাতৃভূমিকে হানাদার বাহিনীর কাছ থেকে উদ্ধার করে চির মুক্তির জন্য দুর্বার গতিতে সামনের দিকে অগ্রসর হতে থাকে।যুদ্ধের ময়দানে দিনে দিনে কোনঠাসা হতে থাকে পাক হানাদার বাহিনী। নভেম্বর মাসের শুরু থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সংঘাত তীব্র থেকে তীব্রতর হতে থাকে। ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকা গুলোতে সংঘাত মহীরুহের আকার ধারণ করে।তখন মুক্তিবাহিনীর সাথে যোগ দেয় ভারতীয় বাহিনী। সাথে সাথে পুরো দেশজুড়ে চলছিল গণপ্রতিরোধ। প্রতিদিন মুক্তিবাহিনীর কাছে নাস্তানাবুদ হচ্ছিল পাক বাহিনী। এরই মাঝে মুক্তিযোদ্ধারা একদিন দিনাজপুরে আকস্মাৎ প্রচন্ড হামলা চালায়,কিন্তু এই হামলার জন্য পাকিস্তানি বাহিনী আদৌ প্রস্তুত ছিল না। মুক্তিবাহিনীর সাথে ভারতীয় সেনাবাহিনী একত্রিত হয়। তখন মুক্তিবাহিনী পঞ্চগড় জেলাকে মুক্ত করে ঠাকুরগাঁওয়ের দিকে এগিয়ে চলছিল ।
পাক হানাদার বাহিনীর হামলায় একাত্তরের এই দিনে রামপুরা ও মালিবাগে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন। ডিসেম্বরে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মিডিয়াতে মুক্তিবাহিনীর সাফল্যের খবর গুরুত্ব দিয়ে প্রচার হতে শুরু করে।
১৯৭১ সালের এ দিনে মুক্তিযোদ্ধারা যখন রাজধানীকে দখলমুক্ত করার লক্ষ্যে আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে ঢাকার দিকে ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছিল তখন পাকিস্তান বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে চালিয়ে যাচ্ছিল নানা অপপ্রচার। প্রিয় মাতৃভূমিকে শত্রুমুক্ত করার অাকাঙ্খায় প্রতিদিন শহীদ হচ্ছিলেন হাজারো মুক্তিকামী সিপাহী জনতা। পাক হানাদার বাহিনীর নির্মম নিষ্ঠুর অত্যাচার থেকে রেহাই পাচ্ছিল না এদেশের নিরীহ মা বোনেরা। তাদের উপর নেমে আসে আত্যাচার, অনাচার, নির্যাতন ও গণহারে ধর্ষণের মতো পাশ্ববিক ক্রিয়াকলাপ।এসময়ে নোয়াখালী থেকে চট্টগ্রামের পথে পথে শুরু হয় সম্মুখযুদ্ধ। সম্মুখযুদ্ধ চলে আখাউড়া রেল স্টেশনেও। একাত্তরের এই দিনে ময়মনসিংহ, জামালপুরসহ দেশের বেশ কয়েকটি এলাকায় গণহত্যা চালায় পাকিস্তানী বাহিনী। তবুও অদম্য সাহস আর প্রবল দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে মুক্তিযোদ্ধারা এগিয়ে যায় তাদের আসন্ন বিজয়ের অভেদ্য লক্ষ্যে।
– সংগৃহিত

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
Copyright © All Right Reserved 2020 আমার দেশ প্রতিদিন
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )