1. admin@amardeshpbd.com : amardesh :
  2. sumarubelp@gmail.com : suma :
ঝড় বৃষ্টি হলে খুব ভয়ে ভয়ে রাত কাটেঃ বৃদ্ধা আনোয়ারা - আমার দেশ প্রতিদিন
November 27, 2022, 1:57 am

ঝড় বৃষ্টি হলে খুব ভয়ে ভয়ে রাত কাটেঃ বৃদ্ধা আনোয়ারা

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, এপ্রিল ২০, ২০২১,
  • 157 Time View

শেখ রনদ সিমান্ত,লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ

আমি গরিব মানুষ, এখন পর্যন্ত কোন সরাকারী ত্রাণ পাইনি।স্বামী রিক্সা চালক আর আমি সারাদিন অন্যের বাসায় কাজ করে যেটুকু পাই তা দিয়ে চলে সংসার। ভাঙ্গা একটি ঘরে কোনরকম বসবাস করি। ঘর ভাল করার টাকাও নাই। হালকা বাতাসেও দোলে ঘর এমনি অবস্হা। ঝড় বৃষ্টি হলে খুব ভয় ভয়ে রাত কাটে যেন এই মনে ঘর ভেঙ্গে মাথায় পড়লো। আর লকডাউনে কেউ কাজে ডাকে না। খুব চিন্তায় কাটছে দিন। আর কত গরিব হলে সরকারী ঘর পাওয়া যাবে।

সীমাহীন ব্যাথা আর কষ্ট ভারাক্রান্ত মনে কথা গুলো বলছিলেন লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার সিংগীমারী ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড তেলিপাড়া গ্রামের আমের উদ্দিনের স্ত্রী নিঃস্ব বৃদ্ধা আনোয়ারা বেগম।

স্বামীর দেয়া ১ শতক ও জামাইয়ের কেনা ২ শতকসহ মোট তিন শতক জমির উপর দুই পরিবারের বসবাস। মেলে না কোন সরকারী ভাতার কার্ড। নেই কোন সরকারী অনুদান।লকডাউনের পরও খবর রাখেনি কেউ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে ৩ শতক মাটিতে দুইটি ঘরে মেয়ে-জামাই এক ঘরে ও বৃদ্ধা আনোয়ারা বেগম ও স্বামী আমের উদ্দিন থাকেন জরাজীর্ণ অপর ঘরে।

বৃদ্ধার মেয়ে নজিমা বেগম জানান, আমার স্বামী রিক্সা চালক। আমি চাল কলে কাজ করি। কোন রকম টেনেটুনে চলে আমাদের সংসার। মায়ের ঘর ভাল করার মতো সামর্থ আমার স্বামীর নাই। আমার মা আর কতো গরিব হলে সরকারী ঘর পাবে। সরকারী ঘর আমার মায়ের হক।

এ বিষয়ে জানতে চাই অত্র ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য আক্কেল হোসেন জানান, আনোয়ার বেগম আমার প্রতিবেশী।আসলেই অভাবের কারণে তাদের থাকার ঘরটি নরবরে অবস্থা। আনোয়ারা বেগমকে একটি সরকারী ঘর দিলে উপকৃত হবে।

এ বিষয়ে সিংগীমারী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন দুলু বলেন, আপাততো গুচ্ছগ্রাম ছাড়া ব্যক্তি মালিকানা জমিতে কোন ঘর দেয় নাই। ২০১৭ সালে ৩৫০ ঘরের তালিকা পাঠানো হয়েছেও বলে জানান তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
Copyright © All Right Reserved 2020 আমার দেশ প্রতিদিন
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )