1. admin@amardeshpbd.com : amardesh :
  2. sumarubelp@gmail.com : suma :
অসাধারণ স্থাপত্যশৈলীর নিদর্শন আটকান্দি মসজিদ - আমার দেশ প্রতিদিন
December 3, 2022, 12:03 am
ব্রেকিং নিউজ:
পাইকগাছা উপজেলা সাংস্কৃতিক জোটের সমন্বয়ক কমিটি ঘোষনা চুনারুঘাটের গ্রাম্য মোড়ল দ্বারা সমাজচ্যুত হামিদা বেগম ৫ জন কে আসামী করে থানায় অভিযোগ দায়ের রাজশাহীতে বিএনপির গণসমাবেশ; পথে পথে পুলিশের বাধা রাজস্থলী ও বাঙ্গালহালিয়াতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২৫ বর্ষপূর্তি উদযাপন জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের ২৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে জিয়া রহমানের মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা কারামুক্ত হলেন আলোচিত আব্বাস আলী বিএমএসএস সিলেট বিভাগীয় সম্মেলন ৩রা ডিসেম্বর সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন দেশবাংলার রাজশাহী বিভাগীয় প্রধানকে হুমকি, ১০১ সাংবাদিকের বিবৃতি একাধিক এ প্লাস পাওয়ায় কাশিনাথপুর কামরুজ্জামান ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের আনন্দ শোভাযাত্রা নেইমার বিশ্বকাপ খেলবে তিতে

অসাধারণ স্থাপত্যশৈলীর নিদর্শন আটকান্দি মসজিদ

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, অক্টোবর ২১, ২০২২,
  • 44 Time View

মোঃ মেজবাহ উদ্দিন ভূঁইয়া

ঐতিহাসিক আটকান্দি মসজিদ, যা স্থানীয়দের কাছে নীলকুঠি মসজিদ নামে পরিচিত। মসজিদটি মওলানা আলীম উদ্দিন ১৫০ বছরেরও অধিক সময় আগে নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলার ছায়া সুনিবিড় গাছগাছালি দ্বারা বেষ্টিত আটকান্দি গ্রামে মেঘনা নদীর (ছোট মেঘনা নদী) পাড়ে নির্মান করেন। মওলানা আলীম উদ্দিন একজন ধার্মিক মানুষ ও ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত ছিলেন। কোন শিলালিপি না থাকায় মসজিদের নির্মাণকাল সম্পর্কে সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে অনুমান করা হয় আটকান্দি মসজিদটি ১৮৯০ সালের দিকে নির্মাণ করা হয়েছে। আটকান্দি নীলকুঠি মসজিদটিতে একটি কেন্দ্রীয় মেহরাব রয়েছে। মসজিদটি ৮ গম্বুজ বিশিষ্ট এর মধ্যে মূল মসজিদে গম্বুজ রয়েছে ৩ টি মাঝের গম্বুজটি ২ পাশের গম্বুজ হতে অপেক্ষাকৃত বড় আর মূল মসজিদের বাহিরে বারান্দায় গম্বুজ রয়েছে ৫ টি। এই গম্বুজ গুলো মসজিদের মূল গম্বুজ থেকে অপেক্ষাকৃত ছোট। মসজিদের বারান্দা দিয়ে মূল মসজিদে প্রবেশ পথ রয়েছে ৫ টি এবং বারান্দার ২ পাশে ২ টি। বারান্দা থেকে মূল মসজিদে ভিতরে প্রবেশ পথ রয়েছে ২ টি। আটকান্দি নীলকুঠি মসজিদটিকে অনেকে মোঘল স্থাপত্যশৈলীর সাথে তুলনা করেন আবার অনেক মসজিদটিকে তাজমহলের সাথে তুলনা করেন। কারন মসজিদের গম্বুজ গুলো তাজমহলের গম্বুজের মত দেখতে। একই সাথে মসজিদের পাশেই মওলানা আলীম উদ্দিনের স্ত্রীর কবর রয়েছে ধারনা করা হয় স্ত্রীর প্রতি ভালবাসা এবং আবেগ থেকেই মওলানা আলীম উদ্দিন এই মসজিদ নির্মান করেন। প্রতিদিনই এই ঐতিহাসিক মসজিদটিকে দেখতে অনেক ঐতিহ্যপ্রেমী এবং ভ্রমণ পিপাসু মানুষ দূরদূরান্ত থেকে এখানে ছুটে আসেন। মসজিদটিতে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা হয়। কিন্তু নির্মানের পর হইতে মসজিদটিতে কোন সংস্কার না করার ফলে বর্তমানে মসজিদের ভিতরে এবং বাহিরের অবস্থা খুবই নাজুক। অল্প বৃষ্টিতেই মসজিদের দেয়াল দিয়ে মসজিদের ভিতরে পানি প্রবেশ করে। তাই অতিসত্বর ঐতিহাসিক এই মসজিদটি কে প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের আওতাভুক্ত করে সংস্কার করা প্রয়োজন। যদি এখনি সঠিক ভাবে সংস্কার করা না যায় তাহলে কালের গর্ভে হারিয়ে যাবে আরো একটি ঐতিহাসিক নির্দশন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
Copyright © All Right Reserved 2020 আমার দেশ প্রতিদিন
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )